1. mehraz1987@gmail.com : mehraz fahmee : mehraz fahmee
  2. dainik71news@gmail.com : Milton talukder : Milton talukder
বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নিউইয়র্ক স্টেট আওয়ামী লীগের পরবর্তী কাউন্সিলে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হতে চাই: মেহরাজ ফাহমী বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের জন্মদিন উপলক্ষে সিলেট মহানগর ছাত্রলীগের নেতা আকাশ ঘোষের খাদ্য বিতরণ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনের সমাবেশ ১১ই সেপ্টেম্বর রবিবার জুয়েল চৌধুরীর তত্ত্বাবধানে প্রানের শহর সিলেটের পাশে রানা ফেরদৌস চৌধুরী-দুরুদ মিয়া রনেল পরিষদ রানা ফেরদৌস চৌধুরী এবং দুরুদ মিয়া রনেল পরিষদের নেতৃত্বে বন্যায় গৃহহীনদের পাশে সিলেট সদর থানা এসোসিয়েশন ২৪ জুলাই সিলেট সদর থানা এসোসিয়েশন অফ আমেরিকার বনভোজন ১৬ লক্ষ টাকা অনুদান নিয়ে সিলেট সদর থানা এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বন্যার্তদের সহায়তা করতে দেশে গেলেন জেড চৌধুরী জুয়েল সিলেট শহর রক্ষা বাঁধের দাবি জানালো সিলেট সদর থানা এসোসিয়েশনের নবনির্বাচিত সভাপতি রানা ফেরদৌস চৌধুরী এবং সাধারণ সম্পাদক দুরুদ মিয়া রনেল পরিষদ সিলেট সদর অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকার নতুন কমিটির শপথ গ্রহণ। সিলেটের বন্যার্তদের সাহায্যার্তে সদরের ১৬ লক্ষ টাকা অনুদান! ২৭ জুন শপথ গ্রহণ করবেন সিলেট সদর থানা এসোসিয়েশন অফ আমেরিকার নবনির্বাচিত কমিটি

আয় কমে যাওয়ার বিপদে আছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত গণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৬ জুন, ২০২১
  • ১০১৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

করোনা মহামারিতে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে দেশে বেশির ভাগ মানুষের আয়-রোজগার কমে গেছে, কারো কারো বন্ধই হয়ে গেছে। বিপরীতে নিত্যপণ্য ও সেবার মূল্য বেড়েছে। ফলে জীবনযাত্রার খরচ বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে।

কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) হিসাবে ২০২০ সালে আগের বছরের তুলনায় বাংলাদেশে মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে ৬.৮৮ শতাংশ। অর্থাৎ ২০১৯ সালে দেশের মানুষ ১০০ টাকা খরচ করে যেভাবে জীবন যাপন করতে পেরেছে, ২০২০ সালে সেটা করতে খরচ করতে হয়েছে ১০৬ টাকা ৮৮ পয়সা। এ সময় খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত পণ্য ও সেবার মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে ৬.৩১ শতাংশ। গতকাল বুধবার অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে ২০২০ সালের পণ্যমূল্য ও সেবার হ্রাস-বৃদ্ধির এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে ক্যাব। সংবাদ সম্মেলনে যুক্ত ছিলেন ক্যাবের সভাপতি গোলাম রহমান, সহসভাপতি এস এম নাজের হোসাইনসহ আরো অনেকে। এ সময় তাঁরা ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন পৃথক বিভাগ অথবা পৃথক মন্ত্রণালয় গঠনের দাবি জানান।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছর করোনা পরিস্থিতিতে ছোট ও মাঝারি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত মানুষের আয়-রোজগার একেবারেই কমে গিয়েছিল। এতে দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী মানুষের সংখ্যা ২০ শতাংশ থেকে বেড়ে ৪০ শতাংশে উঠেছে। এমন পরিস্থিতিতে এই বাড়তি ব্যয়ই অনেক বড় বোঝা হয়ে দাঁড়ায় সাধারণের জন্য।

প্রতিবেদন দেখা যায়, গড়ে পণ্যমূল্য ৬.৩১ শতাংশ হলেও চাল, ডাল, তেল, চিনিসহ জরুরি অনেক নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে ৪৮ শতাংশ পর্যন্ত। গত তিন বছরের মধ্যে ২০২০ সালে জীবনযাত্রার ব্যয় সবচেয়ে বেশি বাড়ে। এ সময়ে মহামারি করোনাভাইরাসের প্রভাবে নিম্ন ও নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষের আয়-রোজগার ব্যাপকভাবে হ্রাস পায়। এতে নিম্ন ও নিম্নমধ্যবিত্ত ভোক্তাদের জীবনমান বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ক্যাব জানায়, রাজধানীর ১৫টি খুচরা বাজার ও বিভিন্ন সেবা সার্ভিসের মধ্য থেকে ১১৪টি খাদ্যপণ্য, ২২টি নিত্যব্যবহার্য সামগ্রী এবং ১৪টি সেবা সার্ভিসের সংগৃহীত মূল্য থেকে প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। ভোক্তার ঝুলিতে যেসব পণ্য ও সেবা রয়েছে, সেসব পণ্য বা সেবা পরিবারের মোট ব্যয়ের সঙ্গে তুলনা করে পণ্য বা সেবার মানের ভিত্তিতে জীবনযাত্রার ব্যয়ের হিসাব করা হয়েছে। এই হিসাবে ভোক্তার শিক্ষা, চিকিৎসা ও প্রকৃত যাতায়াত ব্যয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

পূর্ববর্তী ২০১৯ সালে এ বৃদ্ধি ছিল যথাক্রমে ৬.৫০ শতাংশ এবং ৬.০৮ শতাংশ। ২০১৮ সালে জীবনযাত্রার ব্যয় ও মূল্যবৃদ্ধির পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ৬ শতাংশ ও ৫.১৯ শতাংশ।

২০২০ সালে চালের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। বছরের শেষে আমন ধানের ভরা মৌসুমে চালের দামের ঊর্ধ্বগতি থেমে থাকেনি। ২০১৯ সালের তুলনায় ২০২০ সালে চালের গড় মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ২০ শতাংশ। এর মধ্যে মোটা চালের দাম বেড়েছে (পারিজা ও স্বর্ণা) ২৭.৩৪ শতাংশ, পাইজাম চালে ২৫.৫৬ শতাংশ, বিআর ৮ ও বিআর ১১ চালে ২০.৬৮ শতাংশ, মিনিকেট চালে ১৪.৯৪ শতাংশ, নাজিরশাইল চালে ১৪.৩৩ শতাংশ।

আটার মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে কেজিপ্রতি ৫.২৮ শতাংশ। দেশি ও আমদানি করা ডালের দাম গড়ে বৃদ্ধি পেয়েছে ১৪.১৮ শতাংশ। দেশি মসুর ডালের ২৮.৮৯ শতাংশ ও আমদানি করা মসুর ডালের ৪৮.৪৫ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। ভোজ্য তেলের দাম গড়ে ৮.৯৭ শতাংশ বেড়েছে। এর মধ্যে খোলা পাম তেলে ১৭.১৭ শতাংশ এবং খোলা সয়াবিনে ১৪.২৫ শতাংশ বেড়েছে। চিনি ও গুড়ের দাম প্রতি কেজিতে বেড়েছে প্রায় ২৫ শতাংশ। মসলার দাম গড়ে বেড়েছে ২৪.৬৬ শতাংশ। এর মধ্যে আমদানি করা আদার দাম বেড়েছে ৩১.০৪ শতাংশ, দেশি পেঁয়াজে ১৮.২৭ শতাংশ, আমদানি করা পেঁয়াজে ১৬.৮৩ শতাংশ এবং আমদানি করা শুকনা মরিচে দাম বেড়েছে ৩০.৪৯ শতাংশ।

শাক-সবজির মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে গড়ে ৯.৮৮ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে করলার ৩৪.৩০ শতাংশ ও কাঁচা মরিচের ৩১.৯৬ শতাংশ। আলুতে ২৫.৫৫ শতাংশ বেড়েছে।

২০২০ সালে ২০১৯-এর তুলনায় গরু ও খাসির মাংসের দাম বেড়েছে গড়ে ১০.৪৯ শতাংশ, মুরগির দাম ১০.৮৩ শতাংশ আর ডিমের দাম গড়ে বেড়েছে ৫.৩২ শতাংশ। মাছের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে ৭.১৩ শতাংশ।

নিম্ন ও নিম্নমধ্যবিত্তের গড় বাড়িভাড়া বেড়েছে ৫.৩৫ শতাংশ; এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে ফ্ল্যাট বাসায় ৭.৮৫ শতাংশ, বস্তিতে ঘরভাড়া বেড়েছে ৩.৪৫ শতাংশ। অন্যদিকে সাধারণ শাড়ি-কাপড়ের দাম বেড়েছে ৯ শতাংশেরও বেশি। ওয়াসার পানি প্রতি হাজার লিটারে দাম বেড়েছে ২৫ শতাংশ। আবাসিকে বিদ্যুতের গড় মূল্য বেড়েছে ৬.০৫ শতাংশ এবং বাণিজ্যিক বিদ্যুতে মূল্য বেড়েছে গড়ে ৪.৮১ শতাংশ।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

সূএ: কালের কণ্ঠ

 

 

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD